ঢাকাশুক্রবার , ৮ মার্চ ২০২৪
  • অন্যান্য

জাফরুল্লাহ নুরী সহ ৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

আজকের বিনোদন
মার্চ ৮, ২০২৪ ৬:০৯ পূর্বাহ্ণ । ৬০ জন
Link Copied!
দৈনিক আজকের বিনোদন সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কক্সবাজার প্রতিনিধি :
কক্সবাজার ইসলামিয়া মহিলা কামিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ জামায়াত নেতা জাফরুল্লাহ নুরী সহ একই প্রতিষ্টানের আরো ৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করেছে বিজ্ঞ আদালত। ৩ মার্চ কক্সবাজারের অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত হতে তাদের ৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা কক্সবাজারের পুলিশ সুপার কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে কক্সবাজার চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের কর্মকর্তারা।
কক্সবাজার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত -৪ এর বেঞ্চ সহকারীর মাধ্যমে জানা গেছে, সি,আর মামলা নং ১১৯৩/২৩ (সদর) মামলার বাদী কক্সবাজার কক্সবাজার ইসলামিয়া মহিলা কামিল মাদ্রাসার সহকারী লাইব্রেরীয়ান আখতারুল আলম। তিনি উক্ত মাদ্রাসার বিভিন্ন অনিয়ম এবং বর্তমান জেলা প্রশাসকের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে কমিটি গঠন করার অপরাধে অত্র আদালতে মামলা করেন। যেখানে আসামী করা হয়েছিল উক্ত মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ জাফরুল্লাহ নুরী,বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ  মাহমুদুল করিম ফারুকী এবং অফিস সহকারী মো: আবুল ফয়েজ কে। বিজ্ঞ আদালত সেই মামলা তদন্তের জন্য সদর থানাকে নির্দেশ দিলে সে অনুযায়ী কক্সবাজার শহর পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক আলমগীর হোসেন শাহ আদালতে ৪ পৃষ্টার প্রতিবেদন দাখিল করেন। সেখানে ঘটনার সত্যতার প্রমান মিলেছে। তার প্রেক্ষিতে বিজ্ঞ আদালত উক্ত ৩ জন আসামীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করেন। সর্বশেষ ৩ মার্চ ২৩৩/২৪,২৩৪/২৪,২৩৫/২৪ স্বারকমূলে কক্সবাজার বিজ্ঞ অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে গ্রেফতারী পরোয়ানাজারী করে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।
এ ব্যপারে শহর পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক আলমগীর হোসেন শাহ বলেন,আমি বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে মামলার তদন্তকাজে যা তথ্য প্রমান পেয়েছি সে অনুযায়ী প্রতিবেদন দাখিল করে দিয়েছি।
এ ব্যপারে মামলার বাদী আখতরুল আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমি মামলার বাদী,তবে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারীর দিন আমি বা আমার পক্ষের কোন আইনজীবী আদালতে ছিল না। বিজ্ঞ আদালত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়েছেন।
এ ব্যপারে কক্সবাজার ইসলামিয়া মহিলা কামিল মাদ্রাসার (এমপিও বাতিল) হওয়া ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাহমুদুল করিম ফারুকী বলেন,আমি কিছুই বলতে পারবো না। এগুলো আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র।