ঢাকামঙ্গলবার , ২ এপ্রিল ২০২৪
  • অন্যান্য

প্রেমের ফাঁদে ফেলে অর্থ আদায়, নারীসহ আটক-৪

আজকের বিনোদন
এপ্রিল ২, ২০২৪ ৫:২১ পূর্বাহ্ণ । ১২৬ জন
Link Copied!
দৈনিক আজকের বিনোদন সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আশিকুর রহমান :-

নরসিংদীতে প্রেমের ফাঁদে ফেলে প্রতারণার অভিযোগে এক নারীসহ সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের ৪ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে নরসিংদী মডেল থানা পুলিশ।
সোমবার (১ এপ্রিল) রাতে নরসিংদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তানভীর আহমেদ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানান।
আটককৃতরা হলেন, পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া থানার টিংগুড়িয়া গ্রামের জব্বার হাওলাদারের মেয়ে জায়েদা জাহান সোনিয়া (২০), নরসিংদী সদর উপজেলার আলোকবালি ইউনিয়নের উত্তরপাড়া গ্রামের আঃ রহমানের ছেলে মোঃ অবিত (২৮), একই উপজেলার ভেলানগর এলাকার বুরুজ মিয়ার ছেলে সোহেল মিয়া ওরফে বাবু (২৫) এবং বিলাসদী এলাকার কামরুজ্জামান মোল্লার ছেলে নুরুজ্জামান মোল্লা ওরফে সবুজ (৩৩)।
তিনি জানান, চলতি বছরের ১৮ মার্চ সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের সদস্য জায়েদা জাহান সোনিয়া’র সাথে ভুক্তভোগী রিমেল ওরফে মাসুদের সাথে ফেসবুকের (সামাজিক যোগাযোগ) মাধ্যমে পরিচয় হয়। সেই সুবাদে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে। পরে সোনিয়ার ডাকে সাড়াদিয়ে তার সাথে দেখা করতে গত ২৩ মার্চ বিকেলে মাসুূদ নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে নরসিংদী আসেন। প্রতারক চক্রের পরিকল্পনা অনুযায়ী ভুক্তভোগী মাসুদকে পৌর শহরের বিলাসদী এলাকার হাবিব মিয়ার বাড়িতে নিয়ে এসে একটি রুমে আটকিয়ে রাখে। এসময় তারা তাকে বেদম পিটিয়ে ও ভয়ভীতি দেখিয়ে একলক্ষ টাকা দাবি করে। পরে প্রতারক চক্রের সদস্যরা মাসুদের সাথে থাকা নগদ আটাশ হাজার একশ টাকা ও তার ব্যবহৃত মুঠো ফোনটি ছিনিয়ে নিয়ে ছেড়ে দেয়। ভুক্তভোগী উক্ত ঘটনাটি নিকটস্থ থানায় জানিয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ বিষয়টি আমলে নিয়ে থানার উপপরিদর্শক কামরুজ্জামানকে তদন্ত করার নির্দেশ দেন। পরর্বতীতে উপপরিদর্শক কামরুজ্জামান সহকারী উপপরিদর্শক নাজমুল হোসেন ও ওয়াসিম আকরাম সহ সঙ্গীয় ফোর্সের সমন্বয়ে গঠিত একটি চৌকস দল নরসিংদীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আরও জানান যে, প্রাথমিক জিজ্ঞেসাবাদে তারা স্বীকার করে যে, সংঘবদ্ধ চক্রটি অভিনব কৌশলের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে ফেসবুক (সামাজিক যোগাযোগ), ম্যাসেঞ্জার, ইমো ব্যবহার অশ্লীল ভিডিও রেকর্ড করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করার ভয় দেখিয়ে এবং মিথ্যা প্রেমের প্রতারণার ফাঁদে ফেলে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা আদায় করতো।