ঢাকামঙ্গলবার , ৯ এপ্রিল ২০২৪
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শেষ সময়ে নরসিংদীতে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা

আজকের বিনোদন
এপ্রিল ৯, ২০২৪ ২:৫৫ পূর্বাহ্ণ । ১০০ জন
Link Copied!
দৈনিক আজকের বিনোদন সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আশিকুর রহমান :-

ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে নরসিংদীর মার্কেটগুলোতে শেষ মূহুর্তে জমে উঠেছে কেনাকাটায়। পছন্দের পণ্য কিনতে ক্রেতারা ছুটে যাচ্ছেন বিপণি বিতানগুলোতে। বিক্রেতারাও ব্যস্ত শেষ সময়ের ঈদের ব্যবসা নিয়ে। নরসিংদীর বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে এমন চিত্রই দেখা গেলো আজ।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পৌর শহরের সিএন্ডবি রোডস্থ কাজী মার্কেট, শরীফ ম্যানশন, চৌধুরী ছাপড়া মার্কেট, জিন্নাহ মার্কেট, মসজিদ মার্কেট, কালি বাড়ি মার্কেট, গেঞ্জি পট্টি, ইনডেক্স প্লাজা, জামান ম্যানশন, মুন্সি নেওয়াজ মার্কেট সহ বিভিন্ন ব্যান্ডের নামি-দামি বিপনি বিতানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ্য করা মত। অপরদিকে সূতাপট্টির মোড় হতে গেঞ্জি পট্টির মোড় পর্যন্ত রাস্তা বন্ধ করে দোকানি হরেকরকমের পসরা সাজিয়ে বসেছেন। এসব স্থানে শিশু থেকে শুরু করে মহিলাসহ সব বয়সীদের পদচারনায় জমে উঠেছে বেচা-কেনা। পরিবার, প্রিয়জন ও নিজের জন্য কেনাকাটা করতে এসেছেন অনেকেই। গেল বছর কোভিড-১৯ এর বিধিনিষেধ থাকায় আশানুরূপ ব্যবসা করতে পারেননি দোকানিরা। তবে এবার করোনার কোভিড-১৯ এর প্রকোপ না থাকায় দোকানিদের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে। এবার তাদের লক্ষ্য বিগত সময়ে কোভিড এর কারণে ব্যবসায় আশানুরূপ সাফল্য লাভ না করতে পারলেও এ মৌসুমে তা পুষিয়ে নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন দোকানিরা। সকাল থেকেই প্রচণ্ড গরম আর রোদ উপেক্ষা করে মার্কেটগুলোতে আসতে শুরু করেছেন ক্রেতারা। ক্রেতাদের চাপে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। বেলা বাড়ার পর থেকে প্রায় প্রতিটি মার্কেট ও বিপণি বিতান গুলোতে ক্রেতা বাড়তে থাকায় পা ফেলার জায়গা নেই। সেক্ষেত্রে পুরুষ ক্রেতা থেকে মহিলা ক্রেতাই বেশি দেখা গেছে।
চৌধুরী ছাপড়া মার্কেটের ব্যবসায়ী আল আমিন বলেন, ঈদ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে ক্রেতাদের চাপ বাড়ছে। এ বছর রোজার প্রথম থেকেই বিক্রি ভালো। তবে শেষের সময়টায় আশানুরূপ বিক্রি হচ্ছে। আশা করছি ঈদের আগে চাঁদ রাতে কেনাবেচা আরো বাড়বে।
জিন্নাহ মার্কেটের ব্যবসায়ী নান্টু মিয়া বলেন, শেষ সময়ে কেনাকাটা বেড়ে গেছে। এবার চিন্তিত ছিলাম করোনার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবো কি-না। তবে আশানুরূপ ক্রেতা আসছে। বেঁচা-বিক্রিও ভাল। আশা করছি বিগত সময়ে আমাদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবো। আরেক ব্যবসায়ী সাদিকুর রহমান বলেন, এবার পুরুষ ক্রেতার সংখ্যার তুলনায় মহিলা ক্রেতার সংখ্যা বেশি। তারা স্বাচ্ছন্দ্যে তাদের পরিবারের জন্য পছন্দের পোশাক ক্রয় করছেন। শহরের পাশ্ববর্তী ইউনিয়ন করিমপুর থেকে কেনাকাটা করতে আসা বিউটি বেগম বলেন, রোজার শুরুতে ঘরের কাজে ব্যস্ত ছিলাম। তাই প্রথমদিকে ঈদের কেনাকাটা করতে পারিনি। এখন সময় পেয়েছি তাই কেনাকাটা করতে এসেছি। মার্কেটে অনেক ভিড়, কিন্তু উপায় নেই। এখন কেনাকাটা না করলে আর পারবো না।
অপর আরেক ক্রেতা বেলা আক্তার বলেন, ঈদের কেনাকাটা রোজার শুরুতেই করে ফেলেছি। আত্মীয়-স্বজনদের জন্য কিছু কেনাকাটা বাকি ছিল। তাই সেগুলো কিনতে আসলাম। এসে দেখি মার্কেট গুলোতে উপচে পড়া ভিড়। ছোট বাচ্চা সাথে নিয়ে এসে বিপাকে পড়লাম।
এবারের ঈদ গরম মৌসুমে পড়ায় সুতি কাপড়ের চাহিদা রয়েছে বেশি। শাড়ী, লুঙ্গি, শার্ট, পাঞ্জাবি, থ্রিপিস, ওয়ান পিস সহ বাচ্চাদের তৈরী পোশাক বেশি বিক্রি হচ্ছে বলে জানা যায়।