ঢাকাশুক্রবার , ২৬ এপ্রিল ২০২৪
  • অন্যান্য

নির্বাচনকে সামনে রেখে টেকনাফ সীমান্তের হুন্ডি নুরুল ইমলাম বেপেরায়

আজকের বিনোদন
এপ্রিল ২৬, ২০২৪ ৭:৫১ অপরাহ্ণ । ৫১ জন
Link Copied!
দৈনিক আজকের বিনোদন সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব সংবাদদাতা:

আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে মায়ানমারের সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদকসহ বিভিন্ন চোরাইপণ্য পাচারকারী সিন্ডিকেট এর পাশাপাশি দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে সীমান্তে অবৈধ মানিলন্ডারিং। এর মধ্যে নতুন করে আলোচনায় আসছে মাদক ও হুন্ডিকারবারী নুরুল ইসলাম। তার ব্যবসা সহজ করতে কয়েকবছর আগেই মোস্তফা খাতুন নামে এক রোহিঙ্গা নারীকে বিয়ে করেন। বিয়ের পরেই ঘুরে দাঁড়ায় তারভাগ্যের চাকা। বর্তমানে চোরাইপন্য ও অর্থপাচার নিয়ন্ত্রণে গড়ে তুলেন বিশালাকারের সিন্ডিকেট। একসময়ের দিনমজুর হলেও এখন কোটি কোটি টাকা ও সহায় সম্পত্তির মালিক। সাধারন একজন দিনমজুর থেকে এত বিশাল অর্থ সম্পদের মালিক হয়ে যাওয়া ওই গুনধর ব্যক্তি হলেন, টেকনাফ পৌরসভার চৌধুরী পাড়ার বাসিন্দা জনৈক নুরুল ইসলাম। দৃশ্যমান কোনো আয় না থাকলেও স্বল্প সময়ে সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছেন।  আলাদিনের চেরাগ পাওয়া নুরুল ইসলামের বিষ্ময়কর উত্থানে এলাকাবাসীর মাঝে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।  অদৃশ্য কারণে সে দুর্নীতি দমন কমিশনের দৃষ্টি ও আইনশৃংখলা বাহিনীর গ্রেফতারের আড়ালে রয়েছে।
স্থানীয়রা বলছে, নুরুল ইসলাম খুবই দুর্ধর্ষ চালাক প্রকৃতির লোক। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে সে ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে সু-কৌশলে তার অবৈধ ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে যাচ্ছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা কঠোর পদক্ষেপ নিলে বেরিয়ে আসবে তার অবৈধ ব্যবসার কর্মযজ্ঞ। ইতিমধ্যৈই টেকরাফ পৌরসভার লামারবাজার হেচ্চা খাল সংলগ্ন প্রভাবশালীর জমি ক্রয় করিয়া আলিশান অট্রালিকার নির্মাণ কাজ করছে। সে বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে চাল,ডাল,তেল,অকটেন ঔষধ সহ বিভিন্ন পন্য মায়ানমারে পাচার করে আবার সেখান থেকে মাদক ও অন্যন্য চোরাইমাল নিয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় পাচার করছে এমন জনশ্রুত রয়েছে। গেল কয়েকবছর আগে আইনশৃংখলা বাহিনীর কঠোর অভিযানের সময় গ্রেফতার এড়াতে পালিয়ে বেড়ালেও পুনরায় বীরদর্পে চালিয়ে যাচ্ছেন মায়ানমারের কেন্দ্রীক অবৈধ ব্যবসা। তার প্রধান সহযোগী হিসাবে কাজ করছে টেকনাফ পৌরসভার উপর বাজার, লামার বাজার ও ষ্টেশনের একাধিক নামে-বেনামে ট্রেডলাইসেন্সধারী কতিপয় অসাধূ ব্যবসায়ীরা। তারা সকলে বৈধ ব্যবসার আড়ালে মিয়ানমারের হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাচার ও চোরাইপণ্য পাচারে জড়িত অনেকেই। ওইসব সিন্ডিকেটের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত কোটি কোটি টাকা হুন্ডির মাধ্যমে পাচার করছে মিয়ানমারে।
টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ওসমান গণি বলেন, মাদক-মানবপাচার ও অবৈধ মানি লন্ডারিংয়ে বিরুদ্ধে আমাদের কঠোর অবস্থান আছে। ইয়াবা ও মাদক অবৈধ কারবারী কারবারি যে হোক না কেন তাকে ছাড় দেওয়া হবেনা। পাশাপাশি নতুন করে দেশীয়পন্য পাচারের বিষয়ে নজর বাড়াচ্ছি। এসব বিষয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।