গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃ মামার জানাজা নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে দূর্বত্তদের হামলায় গুরুতর আহত সাঘাটা উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির।
প্রত্যক্ষদর্শী উপজেলা চেয়ারম্যানের মা জহুরা খাতুন বলেন, আমার চাচাতো ভাই আজ সকালে মৃত্যু বরন করেন। তার মৃত্যুর খবর পেয়ে আমি ও আমার ছেলে আজ সোমবার সকালে সাঘাটা উপজেলার ভরতখালী ইউনিয়নের গোটিয়াতে যাই। সেখানে জানাজা শেষে বিকাল আনুমানিক ৪ ঘটিকার দিকে সিএনজি যোগে সাঘাটার নিজের বাড়িতে ফেরার সময় ভরতখালী বাজার মোড়ে অবস্থিত মোশাররফ হোসেন সুইট চেয়ারম্যানের অফিসের সামনে গেলে উক্ত চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে একদল দূর্বত্তরা তাদের পথরোধ করে। এসময় পথরোধের কারন জানতে চাইলে তারা কিছু না বলেই আমার ছেলেকে সিএনজি থেকে নামিয়ে লোহার রড, হকি স্টিকসহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি ভাবে মারতে থাকে। এসময় আমার ছেলে গুরুতর আহত হয়ে পড়লে তাকে ফেলে রেখে দূর্বত্তরা চলে যায়। পরে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় তাকে চিকিৎসার জন্য গাইবান্ধা আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে পঙ্গু হাসপাতালে রেফার করে হাসপাতাল কতৃপক্ষ।
তার উপরে কেন হামলা হয়েছে এ ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে তার মা আরও বলেন, আমার ছেলে গত রবিবার অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে আমার ভাতিজি ফারজানা রাব্বী বুবলীর হয়ে কাজ করার কারনেই এই হামলা হয়েছে। আমি এই হামলাকারীদের দ্রুত বিচার চাই।
এ ব্যাপারে আহত উপজেলা চেয়ারম্যানের বোন ফারিয়া রাব্বি বলেন, আমার ভাই সাঘাটা-ফুলছড়ি আসনের নৌকার প্রার্থী মাহমুদ হাসান রিপনের বিপক্ষে গিয়ে আমার চাচাতো বোন স্বতন্ত্র প্রার্থী ফারজানা রাব্বী বুবলীর পক্ষে কাজ করায় ভরতখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন সুইট নিজেসহ তারদলবল এই হামলা চালায়।
এ ব্যাপারে গাইবান্ধা আধুনিক হাসপাতালের দায়িত্বরত জরুরী বিভাগের ডাক্তার বলেন, তার অবস্থা গুরুতর। শরীরের বিভিন্ন স্থানে একাধিক ফেকচার আছে। আমরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে পঙ্গু হাসপাতালে নেওয়ার জন্য রেফার করেছি।