ঢাকারবিবার , ১০ মার্চ ২০২৪
  • অন্যান্য

নরসিংদীতে যুবদল নেতার স্ত্রী ইউপি চেয়ারম্যান হলেন

আজকের বিনোদন
মার্চ ১০, ২০২৪ ৩:২৬ পূর্বাহ্ণ । ৯৮ জন
Link Copied!
দৈনিক আজকের বিনোদন সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আশিকুর রহমান :-

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার চর আড়ালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মোসাঃ মাসুদা জামান সরকার বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
শনিবার (৯ মার্চ) রাতে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও রায়পুরা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ আজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
সদ্য নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান নরসিংদী জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও চর আাড়ালিয়া ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান হাসানুজ্জামান সরকারের স্ত্রী। তিনি চশমা প্রতীক নিয়ে ৪ হাজার ৩৯৮ পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী চর আড়ালিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও চর আাড়ালিয়া ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মরহুম জাকির সরকারের ছেলে সজিব সরকার মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে ২ হাজার ৬২৮ ভোট এবং চর আড়ালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান সরকার আনারস প্রতীক নিয়ে ১৮৪২টি ভোট পেয়েছেন।
সরজমিনে ঘুরে দেখা যায়, চর আড়ালিয়া ইউপি নির্বাচনে ৯টি ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ছিলো ১২,৭৫৫ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ৬,৬৫৪ এবং মহিলা ভোটার ৬,১৫১ জন। নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে জেলা প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন এক প্লাটুন বিজিবি, ৩৬ সদস্যের র‍্যাবের স্টাইকিং ফোর্স, তিন জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে মোবাইল টিম এবং অসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করেন। প্রত্যেক ভোট কেন্দ্র পাহারায় ছিল ১ জন ইন্সপেক্টর, ২ জন এসআই, ২ জন এএসআই সহ ১০ জন পুলিশ সদস্য ও ১৭ জন আনসার।
ভোট কেন্দ্রে আসা সত্তরঊর্ধে একজন ভোটার বলেন, চর আড়ালিয়া ইউনিয়নের ইতিহাসে স্মরণকালের নির্বাচন হয়েছে। এত শান্তিতে নিজের ভোট নিজে দিতে পারমু কল্পনা করতে পারছি না। খুব সুন্দর নির্বাচন হইছে। আমরা খুশি। নবীন ভোটারের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমার জীবনের প্রথম ভোট। আমার ভোটটা আমি আমার পছন্দের প্রার্থীকে কোনো রকম বাঁধা ছাড়াই দিতে পারছি। মনে করছিলাম ভোট দিতে পারবো না। কিন্তু ভোট কেন্দ্রে আইসা সে ধারণা পরিবর্তন হইছে।
পরাজিত প্রার্থী সজিব সরকারের একাধিক সমর্থকের সাথে কথা হলে তারা বলেন, সুষ্ঠু অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এত সুন্দর নির্বাচন হবে ভাবতে পারিনি। ধন্যবাদ জানাই জেলা প্রশাসক ও নির্বাচন কমিশনকে সুন্দর ও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেওয়ায়। পরাজিত হওয়া কারণ জানতে চাইলে তারা বলেন, দলের নেতা-কর্মীরা বিশ্বাস ঘাতকরা করছে। তারা আমাদেরকে মিথ্যা আশ্বাস দিয়েছেন। তারপর দুইজন প্রার্থী আওয়ামী লীগের। আর অপরজন বিএনপির। বার হাজার ভোটের মধ্যে দুই জনে মিলে পাইছে প্রায় পাঁচ হাজার ভোট। আর বিএনপি প্রার্থী একা পাইছে সাড়ে ৪ হাজার ভোট। পরাজয়ের এটাও একটা কারণ। তিনি আরও বলেন, বর্তমান চেয়ারম্যান যুবদল নেতা হাসান নির্বাচনে না দাঁড়িয়ে তার স্ত্রীকে ভোটে দাড়ার করানোর কারণ হচ্ছে মহিলা ভোটারদের কাছে সরকার বিরোধী মিথ্যা ম্যাসেজ এবং সে নির্বাচিত হতে পারলে তার স্বামীকে মিথ্যা মামলা দিয়ে পুলিশ আর গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে নিবে না বলে মিথ্যা কথা প্রচারণা করার আরেকটা কারণ হতে পারে।